বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
এমদাদুল কাসেম সেন্টু, ইউনিভার্সেল নিউজ, উজিরপুর : বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা নূরানী মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। বলাৎকারের বিষয়টি বাবা-মাকে জানালে ওই শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শোলক ইউনিয়নের ধামুরা মাহমুদিয়া নূরানী ও হাফেজী মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো: অকিল স্থানীয় মোঃ সাইদুল ইসলাম মৃধার ছেলে হেফজ পড়ুয়া ছাত্র সোলায়মান হোসেন (১২) কে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে গত ২২ জুলাই সকালে বলৎকার করে। বিষয়টি বাবা-মাকে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে নূরানী মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো: অকিল ২৩ জুলাই ভোর ৬ টার দিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায়। এতে মাদ্রাসা ছাত্র সোলায়মানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত ও হাড়ভাঙা জখম হয়। আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়।
এ ব্যপারে নির্যাতিত শিক্ষার্থী সোলায়মান বলেন, হাফেজ মো: অকিল হুজুর আমার সাথে খারাপ কাজ করেছে। তা আমি বাবা-মাকে জানালে মাদ্রাসায় বসে আমাকে বাশের লাঠি দিয়ে একশত পিটান দেয়। ছাত্রের বাবা সাইদুল ইসলাম মৃধা বলেন, আমার ছেলেকে বলৎকার করে লম্পট শিক্ষক অকিল। আমাদের জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার অবুঝ শিশু সোলায়মানকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উজিরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম জাহিদ হোসেন জানান, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, লম্পট শিক্ষককে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply