বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর চারাবুনিয়া ফারুকিয়া হাফিজিয়া এতিমখানায় কোন এতিম না থাকলেও শিশুদের নামে বরাদ্দ এনে লাখ লাখ টাকা লুটপাট করছে স্থানীয় এক মহল। ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে এতিমদের তালিকা করে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফারুক হোসাইন এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এই এতিমখানাটি শুধু কাগজে-কলমে চালু থাকলেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোন কার্যক্রম নেই। নামকাওয়াস্তে রয়েছে এতিমখানা। মূলত: স্থানীয় এক চক্র ধর্মকে পূজি করে এতিমখানাকে ব্যবহার করে সরকারী অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তর চারাবুনিয়া ফারুকিয়া হাফিজিয়া এতিমখানায় ৭ জন ছাত্র রয়েছে। এই ৭ জনের মধ্যে কোন এতিম ছাত্র নেই। রুহুল আমিন নামের একজন শিক্ষক পরিচয়দারী ব্যক্তিকে এতিমখানায় পাওয়া গেলেও তিনি মুখ খুলতে নারাজ। তাঁর ভাষ্য, আমি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে পারব না।
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কথা বলবেন। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফারুক হোসাইনকে এতিমখানায় পাওয়া যায় নি। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির কাছে সেলফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বলেন, আমি বর্তমানে বদরপুরে আছি, এখানে স্কুলে শিক্ষকতায় কর্মরত। বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি, এক ঘন্টা পর এ বিষয়ে কথা বলব। এরকিছুক্ষন পর এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির পরিবর্তে বাদল হোসেন নামের সাংবাদিক পরিচয়দারী এক ব্যক্তি এসে জানতে চান এতিমখানার কোন সমস্যা? তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ের পাশাপাশি এতিমখানার সদস্য বলেও পরিচয় দেন। এতিমখানায় কত ছাত্র আছে? এরকম প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। যেখানে ১০০ ছাত্র থাকার কথা এতিমখানায় ৭ জন ছাত্র পাওয়া গেছে, এদের মধ্যে কেউ এতিম নেই এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ধারী বাদল বলেন, ভাই এরকম অনেক এতিমখানায়ই চলে।
এরকিছুক্ষন পর এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে আবারো সেলফোনে এতিমখানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়ে বলেন, কেন আপনাদের সাথে কি বাদল যোগাযোগ করেনি। এরপর সংযোগ কেটে দেন।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply