বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : বরিশালের গৌরনদীতে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজন শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক এরকম জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহমেদ বলেন, ১৪ ডিসেম্বর উপজেলার বাটাজোর দক্ষিণ পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা সবুজ সরদারের মেয়ে তসলিমা আক্তার মাহি (১০) পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ঘটনার ১০ দিন পর ২৪ ডিসেম্বর সকালে দক্ষিণ পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা হেলাল সরদারের ঘরের পাশে পুকুর থেকে তসলিমার গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উজিরপুর উপজেলার উত্তর মোড়াকাঠি এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল বেপারী (২৪), গৌরনদীর বাটাজোর এলাকার সাকিব খান (১৯) এবং দক্ষিণ পশ্চিম পাড়া এলাকার লিটন সরদার (৩০)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহমেদ বলেন, তিনজনের মধ্যে ইসমাইল বেপারী ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে তিনজনই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ইসমাইল বেপারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গৌরনদী, উজিরপুর এবং ঢাকার শাহবাগ ও সূত্রাপুর থানায় মামলা রয়েছে। এ ছাড়া লিটনের বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, তসলিমাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি বাগানে নিয়ে যান আসামিরা। সন্ধ্যার পর শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, প্রথমে সন্দেহজনক আসামি হিসেবে ইসমাইল বেপারীকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সাকিব ও লিটনকে আটক করে পুলিশ।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply