বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ, বানারীপাড়া : বরিশালের বানারীপাড়া শিয়ালকাঠী খেয়াঘাটে প্রতিনিয়ত চলছে নীরব চাঁদাবাজি। ঘাটের ইজারাদার প্রতিদিনই নানা অজুহাতের মাধ্যমে ভাড়া বৃদ্ধি করছে। জিম্মি হচ্ছে খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের মানুষ। যাত্রী পারাপার ৫/- টাকার পরিবর্তে ভাড়া ৮/- টাকা বাইসাইকেল পারাপার ০৮ টাকার পরিবর্তে ১৫/- থেকে ২০/-টাকা, মোটরসাইকেল পারাপার ৩০ টাকার পরিবর্তে ৪০/- থেকে ৫০/- টাকা, মালবাহী ভ্যান ১১০ টাকার পরিবর্তে ১৫০/- থেকে ২০০/- টাকা, এবং ফেরিওয়ালাদের ২০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আসা যাওয়ায় গুনতে হয় দ্বিগুণ ভাড়া।হাড়ি পাতিল ও চুরি ফিতা বিক্রি করা ফেরিওয়ালারা বলেন আমরা এই পথে আর ফেরি করতে পারবো না আমাদের আয়ের চেয়ে খরচ বেশি পড়ছে। হাতে সামান্য বোঝা থাকলে-ই গুনতে হয় বাড়তি ভাড়া। এছাড়াও এই খেয়া নষ্ট দেখিয়ে পার করা হয় প্রাইভেট ছোট খেয়ায় যার ভাড়া দ্বিগুণ গুনতে হয়। এমন অনেকেই আছেন যাদের প্রতিদিন তিন চার বার এই খেয়া পার হতে হয়। ওদের কর্কশ ও রুক্ষ ভাষার কারণে অনিয়ম ই এখন পরিণত হয়েছে নিয়মে। বানারীপাড়া উপজেলার ০৮ ইউনিয়ন ও ০১ টি পৌরসভার। তার মধ্যে পশ্চিম পাড়ে ০৫ ইউনিয়ন থাকার কারণে প্রতিদিনই হাজার হাজার লোক এই খেয়ায় পারাপার করে। পূর্ব পাড়ে উপজেলা পরিষদ পৌরসভা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা, স্কুল, কলেজ ও বরিশাল জেলা শহরে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই খেয়া। নামমাত্র একটি ফেরি থাকলেও তা জনস্বার্থে ব্যবহার হচ্ছে না অলস পড়ে থাকে। শুধু সরকারি কাজে ব্যবহার হয়। ভাগ্যক্রমে কেউ ফেরিতে উঠতে পারলে তাকে গুনে দিতে হয় খেয়ার ভাড়া। ফেরির রশিদ চাইলে ইজারাদারের লোকদের কাছে অপমান অপদস্ত হতে হয়। তারা বলে দ্রব্যমূল্যের দাম জ্বালানি তৈলের দাম ইজারার টাকা গত বছরের চেয়ে কম হলেও উপর মহলে টাকা দিতে হয়। প্রতিদিনই সাধারণ মানুষ দুষছে বিএনপিকে, তাদের আসকরায় বেপরোয়া হয়ে উঠছে খেয়াঘাটের এই নীরব চাঁদাবাজি। কেউ বলছে- এর চেয়ে আমরা আগেই ভালো ছিলাম। আবার কেউ বলছে- সান্টু ভাই ভালো লোক। তার কাছে কি! এই অপকর্ম পৌঁছায় না? এর কি কোন প্রতিকার নেই ? মানুষের প্রতিদিনের দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে উঠে আকাশ বাতাস।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply