বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

Welcome! Thank you for visiting our newspaper website.
প্রধান সংবাদ :
গৌরনদীতে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারায় চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলে নরসুন্দরকে নির্যাতন মানুষ মদিনার ইসলামে বিশ্বাসী, ‘মওদুদীর ইসলামে’ নয় : সালাহউদ্দিন আহমেদ কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, জানালেন পিএস নূরউদ্দিন অপু বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ডে দুটি বসত ঘর পুড়ে ছাই বরিশালে এখন সাংবাদিকতা মানে চা আর কমিশন! ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি’র দাবি তুলেছেন এমপি আইমান ও কাসিফ দ্রুত দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিবেন তারেক রহমান বরিশাল মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রুস্তম আলী মল্লিকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসনের অভিযোগ বরিশালে সুরুজ গাজী হত্যার নেপথ্যে যুবদল নেতা উলফাত রানা রুবেলের চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা!
হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ গোটা ইরান

হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ গোটা ইরান

হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ গোটা ইরান
হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ গোটা ইরান

নিউজ ডেস্ক, ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: ইরানে পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় ২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে গড়ে ওঠা হিজাব বিরোধী চলমান বিক্ষোভ প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ গোটা ইরান। ইরানের ব্যাপক অংশ জুড়ে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ক্রমেই আরও সহিংস হয়ে উঠছে।
সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীরা পশ্চিম ইরানে কুর্দি সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি শহরের বড় অংশ বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে দখল করে রেখেছিল বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তারা বলছে শহরটি থেকে অনেক সরকারি কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী সেখান থেকে পিছু হটছে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ইরাক সীমান্তের নিকটবর্তী ওশনাভিয়েহ শহরের বেশিরভাগ অংশ বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে। বিবিসির এক সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, শহরের মানুষের কাছে তিনি জানতে পেরেছেন, শহরটি থেকে অনেক সরকারি কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী সেখান থেকে পিছু হটছে।
ওশনাভিয়েহ শহরের বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন কয়েকদিন ধরে সহিংস সংঘাতের পর নিরাপত্তা বাহিনীকে তারা শহরছাড়া করেছেন। যদিও সরকারি একটি সংবাদ সংস্থা বলছে শহরের নিয়ন্ত্রণ এখনও সরকারি বাহিনীর হাতেই রয়েছে।
সবশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী আবার শহরে তাদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে। কুর্দিস্তানের সীমান্তবর্তী ওশনাভিয়েহ শহর থেকে সামাজিক মাধ্যমে নিচের যে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে বিক্ষোভকারীদের বিশাল দল শহরের রাস্তা দিয়ে মিছিল করে যাচ্ছে, সেখানে কোন পুলিশ নেই এবং জোর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।
ইরানে ৮০টির বেশি শহর জুড়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ক্রমেই আরও সহিংস হয়ে উঠছে।
বিবিসির ইরান সংবাদদাতা কাসরা নাজি জানাচ্ছেন বিক্ষোভের সপ্তম দিনে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা অনেক ভিডিওতে পুলিশকে বিক্ষোভ সমাবেশের ওপর সরাসরি গুলি চালাতে দেখা গেছে।
কোন কোন ভিডিওতে উত্তর পশ্চিমের পিরানশাহর, মাহাবাদ আর উর্মিয়া শহরে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের ওপর তাজা গুলি চালাতে দেখা গেছে। রাজধানী তেহরানে হাজার হাজার মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারীকে নিরাপত্তা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করতে দেখা যাচ্ছে এবং তারা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন।
নিরাপত্তা হেফাজতে মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর পর থেকে ইরান জুড়ে বিক্ষোভ চলছে, এই তরুণী পোশাক সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভঙ্গ করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। পুলিশি হেফাজতে থাকার পর হাসপাতালে এই তরুণীর মৃত্যু ঘটে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে তাকে মারধরের অভিযোগ করা হয়, যে অভিযোগ কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে।
ঘটনায় ক্ষুব্ধ বহু ইরানি দেশব্যাপী টানা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করছে।
ইরানের সরকারি গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে এপর্যন্ত ৩৫ জন নিহত হয়েছে।
নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তিনগুণ; অর্থাৎ ৫১ জনেরও বেশি বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)।
পুলিশ বলছে, প্রতিবাদ শুরু হবার পর থেকে সারা দেশে সাতশ’য়ের ওপর মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যারা তার ভাষায় দেশের নিরাপত্তা ও শান্তি বিঘ্নিত করছে তাদের দমন করা হবে। কিন্তু সেটা হয়ত কঠিন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, রাজধানী তেহরানে হাজার হাজার মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারীকে নিরাপত্তা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করতে দেখা যাচ্ছে এবং তারা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। পুলিশ বলছে, প্রতিবাদ শুরু হবার পর থেকে সারা দেশে সাতশ’য়ের ওপর মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যারা তার ভাষায় দেশের নিরাপত্তা ও শান্তি বিঘ্নিত করছে তাদের দমন করা হবে। কিন্তু সেটা হয়ত কঠিন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তারা যদি এখনই এর বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ান তাহলে একদিন তাদেরও একই ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে।
এ ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন ইরানের মানুষ এমনিতেই ক্ষুব্ধ। দেশটির এলিট রাজনীতিকদের দুর্নীতি, ৫০ শতাংশের বেশি মুদ্রাস্ফীতির কারণে দারিদ্র বেড়ে যাওয়া, পারমানবিক আলোচনায় অচলাবস্থা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার অভাব তরুণদের সহ একটি বিরাট জনগোষ্ঠীকে হতাশ করে তুলেছে।
আমিনির মৃত্যুতে পুরো ইরান জুড়ে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির ইন্টারনেটে বিরতিহীন ব্লাকআউট চলার খবর দিয়েছে বিবিসি। দেশটির ‘হিজাব আইন মেনে চলায় ব্যর্থতার’ অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এই ২২ বছর বয়সী নারী। ইরান জুড়ে ইন্টারনেট বিভ্রাট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভকারীরা ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করতে পারা নাগরিকরা। ইন্টারনেট মনিটরিং দল নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে অনুমোদিত দুটি বড় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশও সীমিত করে দিয়েছে দেশটি। মেটা মালিকানাধীন এই অ্যাপ দুটিতে আছে ইরানের কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি ফেইসবুক ও টুইটারের মতো অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ব্লক করার পর ব্যপক হারে বেড়েছে অ্যাপ দুটোর জনপ্রিয়তা। এ ছাড়া, টেলিগ্রাম, ইউটিউব ও টিকটকও বিভিন্ন সময়ে বন্ধ করেছে দেশটি। হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, ইরানের ব্যবহারকারীদের সংযোগ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে তারা। নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশটিতে আংশিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ ফিরলেও শুক্রবার পুনরায় ‘পুরো দেশজুড়ে সংযোগ হারানোর’ ঘটনা ঘটেছে। “বিভিন্ন অনলাইন অ্যাপ ও সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে ইরানের লোকজন।” –টুইট করেছেন ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মোসেরি। তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা আশা করছি, অনলাইনে থাকার অধিকার দ্রুতই ফিরে পাবেন তারা।” অনেকে অভিযোগ করছেন, ব্যবহারকারীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় ইরান সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জড়িত মেটা নিজেই। এদের একজন হলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বনিয়াদি। “এতগুলো ‘ইরান প্রটেস্ট’ হ্যাশট্যাগের পোস্ট মেটা কেন মুছে দিচ্ছে?” –টুইটারে লেখেন তিনি। মেটার ইরান বিক্ষোভ সমর্থিত কনটেন্ট ব্লক করার বিভিন্ন প্রমাণও টুইটারে শেয়ার করেছেন কয়েকজন। ফার্সিভাষী পর্যালোচকদের একটি নিজস্ব দল আছে মেটার। তাদের বিবেচনায় যেসব কনটেন্ট নিয়ম লঙ্ঘন করে, সেগুলো দেখে সরিয়ে ফেলেন তারা। বিবিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো পোস্ট মেটা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করলে, ব্যবহারকারী বা প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘ফ্ল্যাগড’ হলে সেটি নামিয়ে ফেলা হয়। অনেকে আবার অভিযোগ করছেন, ভিপিএন বা প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমেও নিজেদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারছেন না তারা। সাধারণত সরকার যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকার সীমিত করে দেয়, তখন কেবল ভিপিএন ব্যবহার করে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দেখা যায়। তবে, ইরানের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুটা ভিন্ন মনে হচ্ছে।

কী ঘটছে আসলে?

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর অফলাইনে চলে যাওয়ায় মূলত এই ব্ল্যাকআউটের ঘটনা ঘটেছে। ‘ইরান মোবাইল কমিউনিকেশন্স কোম্পানি’ নামে পরিচিত এই অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ছয় কোটিরও বেশি। গেল সপ্তাহের শুরুতে এই পরিস্থিতির জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কারণকে দায়ী করেন দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রী। “রাস্তায় অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়লে ইরানি কর্তৃপক্ষের হাতে থাকা সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হল ইন্টারনেট।” –বিবিসিকে বলেন নেটব্লকস গবেষক ইসিক মাতের। তিনি আরও বলেন, ইরানে যেহেতু বেসরকারী কোনো ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্ক নেই, তাই ইন্টারনেটই ‘একমাত্র জায়গা’, যেখানে বিক্ষোভকারীরা নিজস্ব মত প্রকাশ করতে পারেন।আমিনির মৃত্যুর কারণে নারী স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসহ বেশ কয়েকটি কারণে বিক্ষোভ হচ্ছে ইরানে।
বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, নিজেদের হিজাব ওড়ানোর পাশাপাশি সেটিকে পুড়িয়ে ফেলছেন অনেক নারী বিক্ষোভকারী। এ ছাড়া, আরও কঠোর ক্র্যাকডাউনের আশঙ্কা করছেন তারা।
“আমরা শঙ্কিত যে সরকার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখলে ইরানের বাস্তবতা সম্পর্কে গোটা বিশ্ব ভুলে যাবে, যা এরইমধ্যে ঘটতে শুরু করেছে।” –বিবিসিকে বলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্ষোভকারী।
দেশটির বেশিরভাগ আন্দোলন ও প্রচারণার আয়োজন হয় সামাজিক মাধ্যমে। তাদের ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে আন্দোলন সচল রাখা বেশ কঠিন হয়ে যায়।
“যখন বিক্ষোভের মাত্রা সরকারের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়, তখন ইরানি কর্তৃপক্ষের তুরুপের তাস হলো দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা।”–বলেছেন বিবিসি’র ‘ভুয়া তথ্য’ বিভাগের শায়ান সারদারিজাদেহ। “বিক্ষোভকারীদের সংগঠিত হওয়া, যোগাযোগ ও দেশের বাইরে তথ্য পাঠানোর মতো বিষয়গুলো ঠেকানোর জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া একটি মোক্ষম অস্ত্র।” “ইরানের অর্থনীতি, ব্যবসা এবং জনসেবাও ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ হয় এই কারণে।” “ইরান কর্তৃপক্ষ এর আগেও অনেকবার প্রমাণ দিয়েছে যে, অর্থনৈতিক ক্ষতি আর রাজনৈতিক অস্থিরতা ঠেকানোর মধ্যে একটি বাছাই করতে হলে, তারা সব সময় পরেরটিই বেছে নেবে।”
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীর ওপর কঠোর ক্র্যাকডাউন ও ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ করার মাধ্যমে জনমত দমনের কৌশলে অতীতেও সফল হয়েছে ইরান। তবে, শঙ্কা হচ্ছে, পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত ২০১৯ সালের পেট্রোলের মূল্য বৃদ্ধির বিক্ষোভের মতো কিছু একটা হয়ে যায় কি না। দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ ছিল সেটি। ওই আন্দোলনের সময় টানা বেশ কয়েকদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যেত ইন্টারনেট সংযোগ। ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, বিক্ষোভের অনুমতি থাকলেও কোনো ‘দাঙ্গা’ সহ্য করা হবে না। “ইরানে সব সময়ই বিক্ষোভ হয়ে এসেছে। বিক্ষোভকারীদের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে, বিক্ষোভকে দাঙ্গা থেকে পৃথক করতে হবে।” –বলেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.com
Design By Ahmed Jalal.
Design By Rana