বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম : গণপিটুনির নামে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় মানুষ হত্যার লাইসেন্স দেওয়া হবে সমাজের যেকোনো মানুষের জন্য আতঙ্ক ও অনিরাপত্তার কারণ। প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব নয়।
বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (১৮ সেপ্টম্বর) পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।
রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় গণপিটুনিতে তাসলিমা বেগম নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলার সুবিচার নিশ্চিতে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দিয়েছেন।
বাড্ডায় গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম
২০১৯ সালের ২০ জুলাই মেয়েকে ভর্তি করানোর তথ্য জানতে একটি স্কুলে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম। এ ঘটনায় তাঁর ভাগনে সৈয়দ নাসির উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছিলেন।
হাইকোর্টের রুলে সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ওই মামলার রায় ও আদেশ হওয়ার আগে তথা মামলা চলাকালীন সাক্ষীদের যথারীতি ও যথাসময়ে উপস্থিত করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং তদারকির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
ঢাকার জেলা প্রশাসককে আট সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও আদেশের বিষয়টি জানিয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া বলেন, গণপিটুনিতে তাসলিমা হত্যার ঘটনায় করা মামলা চলাকালে সুবিচার নিশ্চিতে নিয়মিত তদারকি ও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply