বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর,মনিরুল ইসলাম শাহিন,বাউফল/বরিশাল : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে হত্যাচেষ্টায় কুপিয়ে জখমের ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইসঙ্গে রোববার দিবাগত গভীর রাতে নবাগত ওসি এ টি এম আরিচুল হকের নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর শহরে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভূক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. জাফর (৩৭) ও শামীম (৩২)। এরা সাংসদ আ.স.ম ফিরোজের অনুসারী।
রোববার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। নানা জল্পনা কল্পনা আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে উপজেলা চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে জখমের ঘটনার ১৪ দিন পর মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম আরিচুল হক ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আইনগতপন্থায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মামলায় অন্যতম আসামিদের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.স.ম ফিরোজ এর দুই ভাতিজা। এরমধ্যে সাংসদের ভাতিজা কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির হোসেন মোল্লাকে ১ নম্বর আসামি এবং চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাস মোল্লাকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গাড়ির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের সামনে তাঁর দুই ভাতিজার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। মামলায় মোট ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা সবাই স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের অনুসারী।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে আবদুল মোতালেব এর নেতৃত্বে ১০-১৫ হাজার নেতা-কর্মী আনন্দ র্যালী নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের (জনতা ভবন) দিকে যাচ্ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের গেটের পূর্ব পাশে পৌঁছালে গাড়ির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের সামনে তাঁর দুই ভাতিজার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ডান হাতের তৃতীয় আঙুল কেটে চামড়ার সঙ্গে ঝুলে থাকে। তাঁর বুকের ডান পাশে ও ডান হাতের কনুইয়ের ওপরের অংশে জখম হয়। ডান পা ভেঙে যায় ও মাথায় আঘাত লাগে।
হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রসহ বিভিন্ন সূত্রের ভাষ্যমতে, বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনের সামনেই ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা হাতে মহড়া দিচ্ছিলেন বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী। এদের মধ্যে আ স ম ফিরোজের ভাতিজা ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এনামুল হক ওরফে আলকাচ মোল্লা, নানা অপকর্মের হোতা কালাইয়ার বাসিন্দা যুবলীগ কর্মী মোহাম্মদ শফি হাওলাদার, ছাত্রলীগের কর্মী সজীব দাসসহ আরো কয়েকজন। এই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অন্তহীন অভিযোগ। এলাকায় এমন কোন অপকর্ম নেই যে এরা জড়িত নয়। এরা এলাকায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনা করে চললেই শান্তিপ্রিয় মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না। এদের বিরুদ্ধে আরো আগ থেকেই অভিযোগের পাহাড় থাকলেও এরা সবসময়ই থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এজন্য দিনে দিনে এরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বাউফলের শান্তিপ্রিয় মানুষ এইসকল সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি রয়েছে। আর এদের ইন্ধনদাতা-নির্দেশদাতা বা শেল্টারদাতা হচ্ছেন সাংসদ আসম ফিরোজ। যদিও হামলাকারীরা অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের বলছেন, তারা হামলার সঙ্গে জড়িত নয়।
এদিকে, সন্ত্রাসী হামলার পর গুরুতর আহত উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার ছেলে বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান শনিবার (১৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বগা বন্দরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, পটুয়াখালীর বাউফলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালনে ১৭ মার্চ আয়োজিত আনন্দ র্যালীতে স্থানীয় সাংসদ আ.স.ম ফিরোজের নেতৃত্বে ও হুকুমে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়েছে। হামলায় গুরুতর জখম হয়ে তিনি এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে মাহমুদ হাসান তাঁর বাবার ওপর বর্বর কায়দায় সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু দৃষ্টি কামনা করে হামলার হুকুমদাতা ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে ও বগা ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আমার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ মিলিত হয়। এরপর সেখান থেকে আনন্দ মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সোয়া ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে পৌঁছালে সাংসদ আ.স.ম ফিরোজের নেতৃত্বে ও হুকুমে সন্ত্রাসী বাহিনী আমার বাবার ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসী হামলায় বাবার ডান পা ভেঙে যায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফুসফুসের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এবং ডান হাতের তৃতীয় আঙুল কেটে যায়।
বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হাসান সাংবাদিকদের বলেন, এরআগেও সাংসদ আ স ম ফিরোজের উপস্থিতিতে আমার ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছিল। জাতির জনকের অনুষ্ঠানে এবার পুলিশের সামনে আসম ফিরোজের নির্দেশে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে।
হামলার পর পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ফরাজী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পুলিশ প্রশাসনের সামনে এমপির সমর্থকদের দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অবস্থান করাটা ঘৃনিত কর্মকাণ্ড। এতে প্রমাণিত হয়, এমপি’র লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই এঘটনা ঘটিয়েছে।

বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টা : অবশেষে আ.স.ম ফিরোজ অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা
স্থানীয় সাংসদ আ.স.ম ফিরোজের নেতৃত্বে ও হুকুমে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে হামলাকারী সন্ত্রাসীরা বাউফলে এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। প্রশাসনের নাকের ডগায় তারা এলাকায় ত্রাসের রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছে। হামলাকারী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের ঝনঝনানিতে মহড়া দিয়ে এলাকার শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষের মাঝে ভয়ার্ত পরিবেশে সৃষ্টি করছে। হুমকি-ধামকি দিচ্ছে হামলায় গুরুতর আহত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অনুসারীদের। অজানা আতঙ্কে রয়েছেন কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ (২০২৩) উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে (জনতা ভবন) একই সময় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। গত ৯ মার্চ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার উপজেলা প্রশাসন বরাবর চিঠি দিয়ে প্রথমে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এবং তাঁর স্বাক্ষরিত দাওয়াতপত্রও বিতরণ করা হয়। অপরদিকে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে (জনতা ভবন) সকাল ৯ টায় সাংসদ আ স ম ফিরোজ গ্রুপের নেতা-কর্মীরা কেক কাটা ও আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজনের ঘোষণা দেন। গত ১২ মার্চ উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দিবস উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ইব্রাহিম ফারুক সাক্ষরিত উপজেলা প্রশাসন বরাবর একটি চিঠির মাধ্যমে একইস্থানে একই সময় পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৩ মার্চ থেকে আ স ম ফিরোজের পক্ষে দিবসটি পালনে ইব্রাহিম ফারুক স্বাক্ষরিত দাওয়াতপত্র বিতরণ করা হয়। অন্যদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌর মেয়র আ’লীগ নেতা জিয়াউল হকের নেতৃত্বে একই দিনে বাউফল প্রেসক্লাব সড়কের পাশে দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা দেন। মূলত: এরপর থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরইধারাবাহিকতায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালনে পটুয়াখালীর বাউফলে শুক্রবার (১৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে আয়োজিত আনন্দ র্যালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় এমপি আ.স.ম ফিরোজ গ্রুপ অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সন্ত্রাসের তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে হত্যাচেষ্টায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে রাজধানী একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্বরোচিত কায়দায় এহেন সন্ত্রাসী হামলায় উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারীদের মধ্যে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারীরাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে একটি আনন্দ মিছিল আওয়ামী লীগের কার্যালয় জনতা ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পুলিশ উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে বাধা দেয়। এসময় সাংসদের ভাতিজা ফয়সাল আহম্মেদ মনির মোল্লা এবং সাংসদের অপর ভাতিজা এনামুল হক আলকাস মোল্লার নেতৃত্বে তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা করে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে টার্গেট করে তাঁকে হত্যাচেষ্টায় এলোপাথারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে।
অভিযোগ উঠে- প্রশাসনের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার কারণেই জাতির জনকের অনুষ্ঠানে বর্বর হামলার ঘটনার জন্ম দিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রশাসন কোনভাবেই এর দায় এড়াতে পারে না। এক্ষেত্রে উপজেলা চেয়ারম্যান অনুসারীরা ইউএনও ও ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনে। অতিসম্প্রতি ওসি আল মামুনকে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে।
নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেন এটিএম আরিচুল হক। তিনি বাউফল থানায় যোগদানের পর বাউফলে অপরাধের সাম্রাজ্য নির্মূলে হার্ডলাইনে অবস্থান করেন। নবাগত ওসি এটিএম আরিচুল হক ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমি এখানে সদ্য যোগদান করেছি। সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সমন্বয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অপরাধের মূলোৎপাটনে কাজ করে যাব। আমাদের অবস্থান কঠোর; অপরাধীদের কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে অপরাধী যে-ই হোক না কেন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নবাগত ওসি আরো বলেন, সাংবাদিক পুলিশ একে অপরের পরিপূরক। আমরা একে অপরের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিলে সমাজের যে কোন অসংগতি দূর করা সম্ভব।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply