বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ, বরিশাল : বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিশ্বস্ত অনুসারী মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর প্রার্থী রইজ আহমেদ মান্না সহ ১৩ কর্মীকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আল ফয়সাল তাঁদের জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। অপরদিকে সোমবার (১৫ মে) দুপুর ১২টায় বরিশাল নগরীর সোহেল চত্বরস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ আহ্বায়ক মান্নার মুক্তি দাবি করা হয়। বলা হচ্ছে- একটা বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধন রয়েছে এখানে। আমাদের প্রাণের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এ নির্বাচনকে অভ্যন্তরীণ একটি মহল বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে।
এরআগে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যারাতে নগরীর ২ নং ওয়ার্ডের কাউনিয়া এলাকা থেকে ছাত্রলীগ নেতা মান্নার বিরুদ্ধে বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ’র (খোকন সেরনিয়াবাত) কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নগরজুড়ে চাউর হয়ে গেলে রোববার মধ্যরাতে মান্নাসহ কয়েক কর্মীকে আটক করে পুলিশ। ওই মামলায় সোমবার আদালত ছাত্রলীগ নেতা মান্না এবং তাঁর অনুসারীদের কারাগারে প্রেরণ করেছেন।
আদালত পরিদর্শক শিশির কুমার পাল বলেন, আদেশ অনুযায়ী ১৩ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বাকীদের গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
কারাগারে পাঠানো মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন-বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্না, তার ছোট ভাই রিসাদ আহমেদ নাদিম, মেহেদী হাসান সম্পদ, পারভেজ হাওলাদার, শান্ত ইসলাম, মামুন ওরফে কসাই মামুন, মিজানুর রহমান শাওন, রাশেদ হাওলাদার, আল আমিন হাওলাদার, নান্টু সন্যামত, ইমরান হোসেন সজিব, মো. আজিজুল হাকিম ফাহিম, মো. সুমন ওরফে টিয়া সুমন।
এদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন আদালত পরিদর্শক শিশির কুমার পাল। তবে আদালত আবেদনের বিষয়ে কোনো সিদ্বান্ত এখনও দেয়নি।
উল্লেখ্য, রোববার (১৪ মে) রাতে বরিশাল নগরের কাউনিয়া এলাকায় সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের চার কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠে। এতে আহত হয়ে তিনজন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মান্না জড়িত বলে নগরজুড়ে জোরোশোরে চাউর ঘটে। যদিও মান্না এই হামলার সঙ্গে জড়িত নয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এবং তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন।
মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহম্মেদ মান্না হামলার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। গত ৫ দিন ধরে তিনি সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত রয়েছেন। ঘটনার সময়ের সিসি ক্যামেরা চেক করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
এ ঘটনায় পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০ জন ও র্যাব তিনজনকে আটক করে। হামলায় গুরুতর আহত মনা আহম্মেদ বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। মামলা মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও নগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ নামধারী ২১ জন অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
জেলহাজতে যাওয়া ব্যতিত মামলার অন্য এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন- বরিশাল নগরের বাসিন্দা সোহাগ হোসেন মিঠু, ফয়সাল বিন জাবেদ, মো. সবুজ পালোয়ান, মো. মামুন হাওলাদার, মো. রুবেল, মবিনুল ইসলাম রনি, সুমন হাওলাদার, কিশোর কুমার মিস্ত্রী।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, তিনিসহ মামলার নামধারী ৪ সাক্ষী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর (খোকন সেরনিয়াবাত) কর্মী এবং তারা নগরের কাউনিয়া থানাধীন এলাকায় প্রার্থীর সমর্থেন বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে। আর এতেই আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরআগে গত ৬ মে মামলার এজাহারনামীয় কয়েকজন আসামি সোহাগ নামে অপর এক কর্মীকে পিস্তল, রামদা, হকস্টিক দেখিয়ে হুমকি দেয়। যে ঘটনায় পরের দিন ৭ মে কাউনিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সোহাগ। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার (১৪ মে) কাউনিয়া থানাধীন বরিশাল নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে বসে বাদী ও সাক্ষীদের ঘিরে ফেলে আসামিরা।
ওইসময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালানোর কথা জানতে পেরে মামলার ১ নম্বর আসামি বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নার নির্দেশে তাঁর ছোট ভাই রিসাদ আহম্মেদ নাদিম খুন করার উদ্দেশ্যে বাদীর মাথায় ঠেকায়। পরবর্তীতে পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে মাথায় রক্তাক্ত জখম করে। এছাড়া হকস্টিক রড দিয়ে মামলার অন্যান্য আসামিরা বাদীর সঙ্গে থাকা লোকজনকেও বেধম মারধর করে। পরে নৌকার প্রচারণা চালালে- জানে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এরপর বাদীসহ মামলার ১ ও ২ নম্বর সাক্ষীকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস নাগ বলেন, হামলার ঘটনার পর আটকদের মামলার নামধারী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত সবাইকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। প্রত্যেককে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে পরিদর্শক হরিদাস নাগ বলেন, রিমান্ড আবেদনের শুনানীর দিন ধার্য্য হয়নি।
হামলায় আহত কর্মীদের দেখতে গত রাতেই বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)। আর ওই রাতেই হামলায় আহত মনা আহম্মেদ বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ ২১ জন নামধারী ও অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। যে মামলায় রইস আহম্মেদ মান্নাসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বলাবাহুল্য : বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্না সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী। ২০২২ সালের জুলাই মাসে রইস আহম্মেদ মান্নাকে আহ্বায়ক করে তিনমাসের কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কিন্তু এখনও সে কমিটি বহাল।

মহানগর আ.লীগের সংবাদ সম্মেলন : ছাত্রলীগ আহ্বায়ক মান্নার মুক্তি দাবি
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে রইজ আহম্মেদ মান্নাকে গ্রেপ্তার করার যে কারণ দেখিয়েছে, যেখানে ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটারের মধ্যেই রইজ আহম্মেদ মান্না ছিল না। এমনকি এ ঘটনা সম্পর্কিত কোনো ভিডিও ফুটেজও কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ গতরাতের ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, উল্লেখিত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করার।
দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর পিস্তল ঠেকিয়ে অতর্কিত হামলার অভিযোগে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্না ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ। সোমবার (১৫ মে) দুপুর ১২টায় বরিশাল নগরের সোহেল চত্বরস্থ দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম জাহাঙ্গীর। তবে নৌকা বা প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন নয় জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত রাত ১২টার দিকে বরিশাল নগরের হাসপাতাল রোড থেকে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাকে তার সাতজন কর্মীসহ কাউনিয়া থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে রইজ আহম্মেদ মান্নাকে গ্রেপ্তার করার যে কারণ দেখিয়েছে, যেখানে ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটারের মধ্যেই রইজ আহম্মেদ মান্না ছিল না। এমনকি এ ঘটনা সম্পর্কিত কোনো ভিডিও ফুটেজও কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ গতরাতের ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, উল্লেখিত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করার।
একটা বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধনে রয়েছে এখানে। আমাদের প্রাণের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এ নির্বাচনকে অভ্যন্তরীণ একটি মহল বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তবে কাদের ইন্ধনে এমনটি হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে বলেন, আপনারা সবই জানেন।
এ সময় তিনি মৌখিক বক্তব্যে বলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ আমরা ঐক্যবদ্ধ, আওয়ামী লীগের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে আমরা বিভিন্নভাবে কাজ করছি, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দের পর আমাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নিয়ে ৩০টি ওয়ার্ডে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করবো। আজকে নৌকা বা প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন নয়। আবারও বলছি আমরা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ, আমাদের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত। মনোনয়নবোর্ড সুন্দর একটি মানুষকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়ে বরিশালের মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, একটা বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধনে রয়েছে এখানে। আমাদের প্রাণের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এ নির্বাচনকে অভ্যন্তরীণ একটি মহল বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তবে কাদের ইন্ধনে এমনটি হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে বলেন, আপনারা সবই জানেন।
এ সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের একাংশের অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ কিনা জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর তিনজন কর্মী হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আহতদের পরিবার মামলা করেছে। যে মামলার বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করেছে। পুলিশ যেটির তদন্ত করে সেটির বিষয়ে ওনারা সংবাদ সম্মেলন করে কিভাবে সেটি আমরা বুঝতে পারছি না। ওনারা কি এজেন্ডা দিতে চায়, কি বার্তা দিতে সেটা তাদের প্রশ্ন করুন। তিনি বলেন, তারা এ সংবাদ সম্মেলন করে কি এজেন্ডা দিতে চায় সেটা আমরা বুঝতেছি না, প্রধানমন্ত্রী নৌকার প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন। প্রার্থী দেওয়ার পর তারা নৌকার পক্ষে কাজ করবেন এটিই বাস্তব কিন্তু তারা এভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে যারা নৌকার কর্মীদের আঘাত করলো, আহত করলো, পিস্তল ধরার মতো অপকর্ম করলো তাদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে সাফাই গাওয়া কেন বুঝতে পারিনি আমরা। আর সাফাই গেয়ে নৌকার পক্ষে না বিপক্ষে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় সেটি দেখার জন্য হাইকমান্ড রয়েছে এবং বরিশালের জনগণও আছে।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply