বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ, বরিশাল : আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ’র (খোকন সেরনিয়াবাত) নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয় টিম গঠন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ‘টিম লিডার’ করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় ঘোষিত নয় সদস্যের এ টিমের তালিকায় সমন্বয়ক হিসেবে রাখা হয়েছে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং যুগ্ম-সমন্বয়ক হিসেবে আছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন।
এদিকে, আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ’র (খোকন সেরনিয়াবাত) নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে টিম লিডার করে ৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয় টিম গঠন করায় উচ্ছ্বাসিত বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সমর্থকরা। সাদিকপন্থী কর্মীরা কেন্দ্রের এ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

আফজাল হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, টিমে সদস্য হিসেবে রয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়কসম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনিসুর রহমান এবং মো. গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু।
এরআগে গত ৩০ এপ্রিল ১৬ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও গত ৮ মে ৩১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা উপদেষ্টা কমিটি গঠন করেছিলেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)। ওই উপদেষ্টা কমিটির প্রধান ছিলেন বড় ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।
সমন্বয়ক বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছে। আমরা সেখানে দায়িত্ব পালন করব।বরিশালের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনটা যেন সুন্দরভাবে করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করব। নৌকা মার্কাকে জয়ী করতে আমরা কাজ করছি। নতুন কমিটির মাধ্যমে এই কার্যক্রমের গতিশীলতা আরও বাড়বে।’
প্রসঙ্গত, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় ছেলে বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু তাঁর চাচা খোকন সেরনিয়াবাতকে দল মনোনয়ন দেয়।
খোকন সেরনিয়াবাত অনুসারীদের অভিযোগ- ইতোমধ্যে বরিশাল নগরীতে ভোটের প্রচার চালাতে গিয়ে দুই দফায় হামলার শিকার হয়েছে নৌকার সমর্থকরা। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তারা সবাই সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী। এসব হামলার ঘটনায় থানায় মামলা ও সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। মামলায় মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়কসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে, মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে করেছেন নগর আওয়ামী লীগ। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ। মান্নাকে গ্রেপ্তারের পর বিলুপ্ত করা হয়েছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি।

এরআগে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যারাতে নগরীর ২ নং ওয়ার্ডের কাউনিয়া এলাকা থেকে ছাত্রলীগ নেতা মান্নার বিরুদ্ধে বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ’র (খোকন সেরনিয়াবাত) কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নগরজুড়ে চাউর হয়ে গেলে রোববার মধ্যরাতে মান্নাসহ কয়েক কর্মীকে আটক করে পুলিশ। ওই মামলায় সোমবার (১৫ মে) আদালত ছাত্রলীগ নেতা মান্না এবং তাঁর অনুসারীদের কারাগারে প্রেরণ করেছেন। কারাগারে পাঠানো মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- রইজ আহম্মেদ মান্না, তার ছোট ভাই রিসাদ আহমেদ নাদিম, মেহেদী হাসান সম্পদ, পারভেজ হাওলাদার, শান্ত ইসলাম, মামুন ওরফে কসাই মামুন, মিজানুর রহমান শাওন, রাশেদ হাওলাদার, আল আমিন হাওলাদার, নান্টু সন্যামত, ইমরান হোসেন সজিব, মো. আজিজুল হাকিম ফাহিম, মো. সুমন ওরফে টিয়া সুমন।
গত রোববার সন্ধ্যায় নগরীর কাউনিয়া বাঁশবাজার এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহর তিন সমর্থক মনা আহম্মেদ, আবদুল হালিম ও মো. জাহিদকে পিটিয়ে আহত করা হয়। তাঁদের বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মান্নার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে অভিযোগে কাউনিয়া থানায় মামলা হয়। সেই মামলায় রোববার মধ্যরাতে মান্না সহ তাঁর ১২ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন রাতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
হামলায় আহত কর্মীদের দেখতে রাতেই বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)। আর ওই রাতেই হামলায় আহত মনা আহম্মেদ বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ ২১ জন নামধারী ও অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। যে মামলায় রইস আহম্মেদ মান্নাসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মান্না হামলার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। গত ৫ দিন ধরে তিনি সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত রয়েছেন। ঘটনার সময়ের সিসি ক্যামেরা চেক করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
যদিও মান্না এই হামলার সঙ্গে জড়িত নয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এবং তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। মান্না হামলার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। গত ৫ দিন ধরে তিনি সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত রয়েছেন। ঘটনার সময়ের সিসি ক্যামেরা চেক করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।’
বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধনে মান্নাকে গ্রেপ্তার অভিযোগ নগর আ’লীগের
নগর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ বলছেন-পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে রইজ আহম্মেদ মান্নাকে গ্রেপ্তার করার যে কারণ দেখিয়েছে, যেখানে ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটারের মধ্যেই রইজ আহম্মেদ মান্না ছিল না। এমনকি এ ঘটনা সম্পর্কিত কোনো ভিডিও ফুটেজও কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, উল্লেখিত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করার।
সোমবার (১৫ মে) দুপুর ১২টায় বরিশাল নগরীর সোহেল চত্বরস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রইজ আহম্মেদ মান্নার মুক্তি দাবি করা হয়। বলা হচ্ছে- একটা বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধন রয়েছে এখানে। আমাদের প্রাণের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এ নির্বাচনকে অভ্যন্তরীণ একটি মহল বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে।
নগর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ বলছেন-পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে রইজ আহম্মেদ মান্নাকে গ্রেপ্তার করার যে কারণ দেখিয়েছে, যেখানে ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটারের মধ্যেই রইজ আহম্মেদ মান্না ছিল না। এমনকি এ ঘটনা সম্পর্কিত কোনো ভিডিও ফুটেজও কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যে, উল্লেখিত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করার।
সংবাদ সন্মেলনে বলা হয়-বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ আমরা ঐক্যবদ্ধ, আওয়ামী লীগের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে আমরা বিভিন্নভাবে কাজ করছি, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দের পর আমাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন নিয়ে ৩০টি ওয়ার্ডে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করবো। আজকে নৌকা বা প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন নয়। আবারও বলছি আমরা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ, আমাদের প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত। মনোনয়নবোর্ড সুন্দর একটি মানুষকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়ে বরিশালের মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, একটা বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধনে রয়েছে এখানে। আমাদের প্রাণের নেতা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে ও দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই খোকন সেরনিয়াবাতের নমিনেশনকে কেন্দ্র করে এ নির্বাচনকে অভ্যন্তরীণ একটি মহল বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তবে কাদের ইন্ধনে এমনটি হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে বলেন, আপনারা সবই জানেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাদিকপন্থীদের হয়রানির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে নানা জনে নানা মন্তব্য লিখেছেন।
#ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত লিখছেন- ষড়যন্ত্রকারীরা কতটা শক্তিশালী!!! তাদের হাতে কি প্রকৃত মুজিব আর্দশ ধারণ করা মানুষগুলো নিঃশেষ হয়ে যাবে। জেলখানা তো সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জায়গা নাকি তাহলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এই মুজিব সৈনিকরা কি নিরাপদে আছে। তাহলে জেলখানার ভিতরের ছবি/ফুটেজ বাহিরে বের হলো কীভাবে।এখনো সময় আছে, এই অপশক্তির সাথে আরো অনেক বড় কোন রাঘব বোয়াল আছে,যারা আওয়ামী লীগকে শেষ করতে চায়। তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদান করা হোক।নয়তোবা আওয়ামীলীগ,নৌকা,শেখ হাসিনা আর প্রকৃত নৌকার লোকদের ই ক্ষতি হবে।
এটা প্রশাসন ও হাইকমান্ড এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

#তোহারুল ইসলাম লিখেছেন-যে ফুটেজ বের হওয়ার কথা সেই ফুটেজের কোন হদিস নেই, কিন্তু থানার ভিতরের ফুটেজ বাহিরে ছড়িয়ে পড়লো। যেখানে ঘটনা সংগঠিত হয় সেখানের আশেপাশে সহ সব সিসি ক্যামেরা ফুটেজ প্রশাসন নিয়ে গেলো, আর কোন হদিস নেই। নেই কোন অনলাইন পত্রিকার নিউজ, বরিশালে এই কয় দিনে যত নামিদামি অনলাইন পত্রিকা দেখলাম তা যদি বঙ্গবন্ধু দেখতে পেতো তাহলে একটা কথা বলতো, আমার দেশের চোর গুলো সব ডিজিটাল চুরি শিখে গেছে, এখন আর কেউ না খেয়ে মরবে না। বরিশালের প্রশাসন কি টাকায় বিক্রি হয়ে গেছে,না কি চাকরি হারানোর ভয়ে চুপটি খেয়ে আছে। সাধারন মানুষ এই প্রশাসন দিয়ে কি শিক্ষা পাবে, তারা এখন পর্যন্ত ঘটনার স্থানের সিসি ফুটেজ নিয়ে প্রকাশ করতে পারলো না, আর থানার সিসি ফুটেজ বাইরে চলে আসে।
বাহ! বাহ! কোন দেশে বাস করি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই, যত সব স্থানে প্রতি দিন বিভিন্ন মারামারি হওয়ার কথা বলা হইতেছে সেই সব স্থানের সিসি ফুটেজ প্রকাশ করেন,যারা জড়িত তারা কোন দিন নৌকার পক্ষে না, তাই সত্য প্রকাশ করে নৌকার জয় নিশ্চিত করুন, তা না হলে সাধারণ মানুষ কোন দিন নৌকার পক্ষে ভোট দিবে না। কারণ তারা সত্যি দেখতে চায়, তারা আমার আপনার কাছে খাবার চায় না, তারা চায় রাস্তায় নির্ভয়ে চলাচল করতে। এই সব ষড়যন্ত্র করে কোন দিন আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু পাবে না। মাঝখান দিয়ে দেশদ্রোহীরা সুযোগে সদ্ব্যবহার করবে।
#বেল্লাল লিখেছেন-রাইজ আহম্মেদ মান্না ভাই কে ফাঁসানো হয়েছে সে দীর্ঘ ৫ দিন ধরে কালিবাড়ি বাস ভবনে। তার নামে মিথ্যা অভিযোগ আমরা মানি না। কালিবাড়ি বাস ভবনে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই প্রমাণ পেয়ে যাবেন এবং, এই ঝামেলাটা হয়েছে একটি চার দোকানদারের সাথে সেইখানে তার নাম দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।
#শেখ শাকিল লিখেছেন- এ কেমন রাজনীকি? ঘটনা সঠিক তদন্ত করা হোক। যে সময় এ ঘটনা হইছে সেই সময় ভাইয়া বলছে যে সে কালিবাড়ী রোড সেনিয়াবাত বাসভবনে ছিলো, সেই বাসায় সি সি ক্যামেরা ফুটেজ দেখলেই হয়। ওই সেই ক্যামেরা ফুটেজ প্রকাশে আনা হোক।
#অন্তর রায় লিখেছেন- গত ৫ বছরের শান্তির বরিশালকে অশান্ত বরিশালে রূপান্তর করার যে দুষ্ট পরিকল্পনা করছে তার বহিঃপ্রকাশ পাচ্ছে। এরা আর কিছুই না এইরকম গভীর ষড়যন্ত্র করে আমাদের নৌকা মার্কাকে নিস্তেজ করে আওয়ামী লীগেকে শেষ করতে চায়। এইসব অপশক্তিকে খুব তাড়াতাড়ি শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক৷ তানা হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং যারা মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধু আদর্শে রাজনীতি করে সেইসব প্রকৃত আওয়ামী লীগ কর্মীদেরই সবথেকে বেশি ক্ষতি হবে।
#আমিনুল ইসলাম রাসেল লিখছেন- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইদানিং যা ঘটছে সেটা অন্যায়! নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ের উদ্দেশ্য কাজ না করে দলীয় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করাই যদি হয় উদ্দেশ্য তাহলে সেটা তো দলের জন্য মঙ্গল নয়! বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহম্মেদ মান্না তো বিএনপি জামাত থেকে আসে নাই যে তাকে ষড়যন্ত্র করে তার কর্মী সহ জেলে পাঠাতে হবে? আবার সেই ছবি গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। মান্না ২নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সমর্থনে কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়া, নাকি সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ভাইয়ের কর্মী এটাই তার অপরাধ!?
#হিরন হাওলাদার লিখছেন- বরিশালে খোকন সেরনিয়াবাত মনোনয়ন পাওয়ার পর কিছু লোকের ভাব ভঙ্গি দেখলে মনে হয় তারা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র চেয়েও বড় আওয়ামীলীগার। তখন তারা এত বড় নৌকা প্রেমী ছিলনা, যখন ২০১৮ সালে সাদিক ভাই মনোনয়ন পেয়েছিল।
তখন তাদের বরিশাল শহরে হারিকেন জ্বালিয়েও খুঁজে পাইনি আমরা
#জিদনী শেখ লিখেছেন- বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্না ভাইয়ের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
মিজানুর রহমান সাজিদ লিখেছেন- প্রশাসনকে জবাব দিতে হবে কিভাবে তাদের সিসি ফুটেজ বাইরে আসলো?
#মাসুম হোসেন সালমান লিখেছেন- এই জঘন্যতম ষড়যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত। তা শনাক্ত করে সকলকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক। এরা একজন মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক এর বিরুদ্ধে, এত গভীর ষড়যন্ত্র করতে পারলে। সাধারন কর্মীদের যে কি করতে পারবে, তা আর বোঝার বাকি নাই।অতি দ্রুত এদের ব্যবস্থা না নিলে সর্বোপরি নৌকা ও আওয়ামী লীগের ক্ষতি হবে। “”সময় থাকতে নজর দিন”” সর্বোপরী প্রকৃত কুলাঙ্গারগুলো কিন্তু আরো আঘাত করবে এ সংগঠনের নিবেদিত প্রাণগুলোর উপর। তার আগেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
#এক কর্মী লিখেছেন-ফেন্সিডিল সহ এরেস্ট হবেন, বিভিন্ন স্থানে জুয়া আর যাত্রার আসর বসাবেন,ধর্ষণ করে মামলা খাবেন, প্রিন্সিপল স্যারদের মারবেন, টেন্ডারবাজি করবেন, রাস্তার পাশের ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা উঠাবেন, জমি দখল করবেন ,ছিনতাই করবেন, ১০ চাক্কার ট্রাক ঢুকাইয়া রাস্তা নস্ট করবেন আর এগুলোকে সাদিক ভাই সাপোর্ট করতে পারলেই সাদিক ভাই অনেক ভালো মানুষ হতো। আর এগুলোর বিরুদ্ধে ছিলো বলে বরিশাল নাকি এখন মুক্ত হয়েছে।
#এসকে ফারাবি ফাহাদ লিখেছেন- এই জঘন্যতম ষড়যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত। তা শনাক্ত করে সকলকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক। এরা একজন মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক এর বিরুদ্ধে এত গভীর ষড়যন্ত্র করতে পারলে সাধারন কর্মীদের যে কি করতে পারবে, তা আর বোঝার বাকি নাই।অতি দ্রুত এদের ব্যবস্থা না নিলে সর্বোপরি নৌকা ও আওয়ামীলীগের ক্ষতি হবে। “”সময় থাকতে নজর দিন””
সর্বোপরী প্রকৃত কুলাঙ্গারগুলো কিন্তু আরো আঘাত করবে এ সংগঠনের নিবেদিত প্রানগুলোর উপর।তার আগেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
#এমডি শাওন খান লিখেছেন- মনা, হালিম, এদের বাড়ি হলো বাজার রোড তাহলে তারা বাশের হাট থেকে কিভাবে পাটি অফিসে যাবে এটা একটি প্রশ্ন ? হালিম হলো বাজার রোডের একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি। তার হাত থেকে দিনমজুর রিক্সাওয়ালা কেউই রেহাই পায়না। এই জঘন্যতম ষড়যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত। তা শনাক্ত করে সকলকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক। এরা একজন মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক এর বিরুদ্ধে এত গভীর ষড়যন্ত্র করতে পারলে। সাধারন কর্মীদের যে কি করতে পারবে,তা আর বোঝার বাকি নাই।অতি দ্রুত এদের ব্যবস্থা না নিলে সর্বোপরি নৌকা ও আওয়ামীলীগের ক্ষতি হবে।
এ সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের একাংশের অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ কিনা জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর তিনজন কর্মী হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আহতদের পরিবার মামলা করেছে। যে মামলার বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করেছে। পুলিশ যেটির তদন্ত করে সেটির বিষয়ে ওনারা সংবাদ সম্মেলন করে কিভাবে সেটি আমরা বুঝতে পারছি না। ওনারা কি এজেন্ডা দিতে চায়, কি বার্তা দিতে সেটা তাদের প্রশ্ন করুন। তিনি বলেন, তারা এ সংবাদ সম্মেলন করে কি এজেন্ডা দিতে চায় সেটা আমরা বুঝতেছি না, প্রধানমন্ত্রী নৌকার প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন। প্রার্থী দেওয়ার পর তারা নৌকার পক্ষে কাজ করবেন এটিই বাস্তব কিন্তু তারা এভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে যারা নৌকার কর্মীদের আঘাত করলো, আহত করলো, পিস্তল ধরার মতো অপকর্ম করলো তাদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে সাফাই গাওয়া কেন বুঝতে পারিনি আমরা। আর সাফাই গেয়ে নৌকার পক্ষে না বিপক্ষে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় সেটি দেখার জন্য হাইকমান্ড রয়েছে এবং বরিশালের জনগণও আছে।
উল্লেখ্য : আগামী ১২ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন। বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ভোট কেন্দ্র ১২৩টি। মোট ভোটার ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৭ জন।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
ইম্পরট্যান্ট খবর জানাতে হবে ভালো ভালো লিখতে হবে অনেক সুন্দর লেখা হয়েছে ভালো লাগছে