বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

Welcome! Thank you for visiting our newspaper website.
প্রধান সংবাদ :
গৌরনদীতে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারায় চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলে নরসুন্দরকে নির্যাতন মানুষ মদিনার ইসলামে বিশ্বাসী, ‘মওদুদীর ইসলামে’ নয় : সালাহউদ্দিন আহমেদ কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, জানালেন পিএস নূরউদ্দিন অপু বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ডে দুটি বসত ঘর পুড়ে ছাই বরিশালে এখন সাংবাদিকতা মানে চা আর কমিশন! ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি’র দাবি তুলেছেন এমপি আইমান ও কাসিফ দ্রুত দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিবেন তারেক রহমান বরিশাল মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রুস্তম আলী মল্লিকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসনের অভিযোগ বরিশালে সুরুজ গাজী হত্যার নেপথ্যে যুবদল নেতা উলফাত রানা রুবেলের চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা!
ধর্ষণ মামলায় কাবিননামা দেখাতে পারেননি হেফাজত নেতা মামুনুল

ধর্ষণ মামলায় কাবিননামা দেখাতে পারেননি হেফাজত নেতা মামুনুল

মামুনুল হক বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছেন
ধর্ষণ মামলায় কাবিননামা দেখাতে পারেননি হেফাজত নেতা মামুনুল

ডেস্ক রিপোর্ট, ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম: হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলায় আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন। বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে মামলার বাদীকে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক ধর্ষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন মামুনুল হক বিয়ের কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

মামুনুল হক বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছেন

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ধর্ষণ মামলার আসামি মামুনুল হকের বিরুদ্ধে পুলিশের দুই এসআইসহ ১৫ জন সাক্ষী দিয়েছেন। সাক্ষীতে দুই কর্মকর্তা জানান- ঘটনার দিন ডিউটি অফিসারের তথ্যানুযায়ী তারা রয়েল রিসোর্টে যান। সেখানে মামুনুল হক ও মামলার বাদী ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওই নারী পুলিশকে জানায়, আসামি মামুনুল হক তাকে বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছেন।
এ সময় আদালতে মামুনুল হকসহ তার পক্ষের আইনজীবীরা বিয়ের কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ কে এম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় ছয় পুলিশ কর্মকর্তাসহ আট জনের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কোবায়েদ হোসেন ও বোরহান দর্জি সাক্ষী দিয়েছেন। তাদের সাক্ষীর সঙ্গে এজাহারের কোনও মিল খুঁজে পাইনি, অনেক এলোমেলো কথা উঠে এসেছে। আদালতে তারা দু’জন বলতে পারেননি ওই দিন তারা কেন মামুনুল হককে গ্রেফতার করেননি। বরং তারা বলেছেন সেদিন তাকে গ্রেফতার করার মতো কারণ ছিল না।
আদালতে মামুনুল হকের কাবিননামা দেখাতে না পারার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে। আর আদালতে এখনও কাবিননামা দেখানোর সময় হয়নি। যথাযথ সময়ে এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মামুনুল হককে আদালতে আনা হয়। পরে সপ্তম ধাপে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী মশিয়ার রহমানের আদালতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে নারী সঙ্গী নিয়ে অবস্থান করা অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা রিসোর্টে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে নিয়ে যান। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন তার সঙ্গে থাকা ওই নারী। কিন্তু মামুনুল হকের দাবি, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

“মামুনুল হক আমাকে বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছেন”

এরআগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘মামুনুল হক এর বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় সাক্ষীরা আদালতকে বলেছেন, সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্টে ঘটনার দিন তারা সেখানে মামুনুল হককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এলোমেলো জবাব দেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ওই নারী ও মামলার বাদীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‍‍‍‍“মামুনুল হক আমাকে বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছেন”।’

ধর্ম ব্যবসায়ীরা মনোজগতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে

হেফাজত নেতা মামুনুল হক বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় সভা-সমাবেশে ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার ফতুয়া জারি করে সাম্প্রদায়িকতার দিকে কনভার্ট করতে ধর্মীয় উত্তেজনা সৃষ্টির পায়ঁতারা করে আসছিল। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা এরকম বেশ কয়েজন ধর্ম ব্যবসায়ীর নামে ধর্মীয় নেতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সহ সব ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার জন্য মুসলমান ধর্মের অনুসারী মানুষদের মনোজগতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে ক্ষেপিয়ে তুলতে একাধিক সভা-সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন। এরইধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি দেন।

লাশের পর লাশ পড়বে, তবুও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য গড়তে দেয়া হবে না

হেফাজত নেতা মামুনুল হকও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সহ সব ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার জন্য একাধিকবার সভা-সমাবেশে হুমকি দিয়েছিলেন। এক আলোচনা সভায় তিনি বলেছিলেন, “লাশের পর লাশ পড়বে, তবুও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য গড়তে দেয়া হবে না।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.com
Design By Ahmed Jalal.
Design By Rana