বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : পটুয়াখালীতে মাহমুদুল হাসান নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১ম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। আহত শিশু শিক্ষার্থী বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি এজাহারভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার ৮ বছরের শিশু পটুয়াখালী জেলা শহরের শের-ই- বাংলা সড়কস্থ দারুল কুরআন মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে আসছিল। ঘটনার দিন ৯ জুন বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় শিশুটিকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করলে তাকে বেধড়ক মারধর করে মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে মাদ্রাসা আটকে রাখে। সে অসুস্থ হলেও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান কোনো প্রকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন নাই এমনকি অভিভাবককে বিষয়টি জানাননি। উল্টো শিশুকে কাউকে না বলার জন্য হুমকি ও ভয়ভীতি দেখান। ১২ জুন শিশুটি কোরবানীর ছুটিতে মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের খাসেরহাট বাড়িতে গেলে শিশুটি ব্যথায় ছটফট করছিল। এ সময় তার মা, ব্যথার কারন জানতে চাইলে, শিশুটি মাকে বিস্তারিত জানায়। এরপর শিশুটিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। ছেলের হাসপাতালে ভর্তির খবর শুনে ছাত্রের বাবা কাঁচামালের ব্যবসায়ী ফরিদপুর থেকে এসে ঘটনা অবহিত হয়ে আদালতে সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৫) ও প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির (৩৫) এর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আদালত মামলাটি এজাহারভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন জানান, মামলাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. জসিম জানান, প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসায় আসেন না।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply