৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আকস্মিক বরিশালে ঘুরে গেলেন সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মেজ ছেলে মঈন আবদুল্লাহ। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) তিনি বরিশাল নগরের কাউনিয়া এলাকায় নানাবাড়িতে যাওয়ার পাশাপাশি নগরের কালীবাড়ি সড়কের পৈতৃক বাড়িতেও যান। তবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেননি তিনি। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে মঈন আবদুল্লাহ একটি কালো রঙের গাড়িতে নগরের কাউনিয়া এলাকায় তাঁর নানাবাড়িতে আসেন। গাড়িটি তিনি নিজেই চালাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ। গাড়ি বহরে ছিল আরও দুটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার ও তিনটি মোটরসাইকেল। নানাবাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে নগরের কালীবাড়ি সড়কে পৈতৃক বাড়িতে আসেন মঈন আবদুল্লাহ। প্রসঙ্গত : ৫ আগস্ট বিকেলে বিক্ষোভকারী ব্যক্তিরা ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেন। এতে বাড়ির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়। বাড়ির দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে ওই দিন রাতে তিনজনের পোড়া লাশ উদ্ধার হয়। তাঁদের মধ্যে নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর গাজী নঈমুল হোসেন ছিলেন।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আকস্মিক বরিশালে ঘুরে গেলেন সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মেজ ছেলে মঈন আবদুল্লাহ। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) তিনি বরিশাল নগরের কাউনিয়া এলাকায় নানাবাড়িতে যাওয়ার পাশাপাশি নগরের কালীবাড়ি সড়কের পৈতৃক বাড়িতেও যান। তবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেননি তিনি।
মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে মঈন আবদুল্লাহ একটি কালো রঙের গাড়িতে নগরের কাউনিয়া এলাকায় তাঁর নানাবাড়িতে আসেন। গাড়িটি তিনি নিজেই চালাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ। গাড়ি বহরে ছিল আরও দুটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার ও তিনটি মোটরসাইকেল। নানাবাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে নগরের কালীবাড়ি সড়কে পৈতৃক বাড়িতে আসেন মঈন আবদুল্লাহ।
প্রসঙ্গত : ৫ আগস্ট বিকেলে বিক্ষোভকারী ব্যক্তিরা ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেন। এতে বাড়ির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়। বাড়ির দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে ওই দিন রাতে তিনজনের পোড়া লাশ উদ্ধার হয়। তাঁদের মধ্যে নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর গাজী নঈমুল হোসেন ছিলেন।